প্রজেক্ট

অসহায় রোগী

রোগী - ১

৫৫ বছর বয়সের এই চাচা ব্রেন স্ট্রোক করে এখন প্যারালাইজড হয়ে সম্পূর্ণ বিছানায় শয্যাশায়ী এবং আয় রোজগারে অক্ষম।
উনি পেশায় একজন রিক্সাচালক। অতএব বুঝতেই পারছেন তার আর্থিক অবস্থা ভালো না। চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে উনার শেষ সম্বল রিক্সাটাও বিক্রি করে দিয়েছেন। উনার ছেলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। সুতরাং খরচ বহনের কোন ব্যবস্থাই নেই।
আলহামদুলিল্লাহ
আমাদের দ্বিতীয় প্রজেক্ট আমরা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি।
আপনাদের একান্ত সহযোগিতায় আমরা উনার পূর্ণ একমাসের ঔষধ এর ব্যবস্থা করতে পেরেছি।
আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সবার দানকে কবুল করুন।আমিন।

রোগী - ২

রোগীর নাম : সুমাইয়া তাবাসসুম,

বয়স: ১৬ মাস।

ইস্টার্ন হাউজিং, মিরপুর-১২


সে তার বাবা-মার একমাত্র সন্তান। নরমাল ডেলিভারিতে তার জন্ম হয়। সে সময় সে ব্রেইনে আঘাত পায়। ফলে জন্মের সময় অক্সিজেন পায়নি, কান্না করেনি ও খিচুনি হয়েছিল। এ আঘাতে তার ব্রেইনের বিভিন্ন জায়গায় ড্যামেজ হয়ে গেছে। সে এখনো বসতে পারে না, ঘাড় নাড়াতে পারে না, শরীরে কোন শক্তি নেই। এখনো নবজাতকের মত বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়। সাধারন শিশুদের মত স্বাভাবিক শারীরিক ও মানষিক বিকাশ থেকে সে অনেক পিছিয়ে পড়েছে। কিন্তু চিকিৎসা চালিয়ে নিতে পারলে এক পর্যায় মোটামুটি স্টেবল হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সে সময় কখন আসে তার কোন নির্দিষ্ট সময় ডাক্তাররা জানান নি। তবে ৩-৪ বছর সময় লাগতে পারে। এ পর্যন্ত নিজের আত্মীয়-স্বজনের ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাহায্য সহযোগিতায় অনেক টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে ঔষধ এবং ফিজিওথেরাপির উপর টিকে আছে। তার চিকিৎসায় মাসে ৬-৭ হাজার টাকা খরচ হয়। তারা বাবা বসুন্ধরা সিটির পাশে একটি অফিসে নামাজ পড়ান। পাশাপাশি একটি মাদ্রাসায় সময় দেন।

রেফারেন্স—-
মোঃ সাইফুল ইসলাম
সিনিয়র প্রধান প্রকৌশলী
Samsung R&D Institute Bangladesh (SRBD)


আলহামদুলিল্লাহ

আমরা এই ছোট্ট সোনামণির জন্য এক মাসের ১২ টি থেরাপি বাবদ মোট ৪,৮০০/- টাকা দিতে পেরেছি।

দুঃখিত , ফেব্রুয়ারী মাসে রোগীর প্রজেক্টে কোন কাজ করা হয়নি।

পরবর্তী মাসের আপডেট দেখার অনুরোধ রইল।

রোগী - ৩

আলহামদুলিল্লাহ ৩৭% আগুনে পুড়ে যাওয়া মাত্র ২ বছরের ছোট্ট শিশুকে আমরা ৫ হাজার টাকা দিতে পেরেছি।
রোগীর নাম : খাদিজা
বয়স : ২
ঠিকানা : ফুলপুর ময়মনসিংহ
বর্তমানে আছে : বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট
ওয়ার্ড এইচডিও, বেড ০৯
গত শুক্রবার খেলার ছলে শরীরে আগুন লেগে গেলে প্রথমে ময়মনসিংহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখানে রাখতে অপারগত প্রকাশ করে তাকে মেডিকেল রেফার করা হয়। পরে ২ দিন পর তাকে বাসে করে ঢাকা মেডিকেল নিয়ে আসা হয়। এখানে আসলে জানা যায় পিছন দিকে তার শরীরের ৩৭% পুড়ে গেছে। তার বাবা একজন অটোরিক্সা চালক। মানুষের সহযোগিতায় এপর্যন্ত ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে ৮ ব্যাগ রক্ত দিতে হবে। চিকিৎসা চালাতে কষ্ট হচ্ছে।

রোগী - ৪

ছবিতে থাকা ভাইটি আগুনে পুড়ে যায়। সাথে তার এক ভাই এবং তার এক বোনও আগুনে পুড়ে যায় কিন্তু বোনটি পরবর্তীতে মারা যায়।তবে বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধিন।
আলহামদুলিল্লাহ তাকে ১৫,০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে।
(ছবিতে টাকা হাতে তার ছোট ভাই)

রোগী - ৫

আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সহযোগীতায় ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত মাত্র ৬ বছরের ছোট্ট শিশু সাওবানকে ১৫,০০০ (পনেরো হাজার) টাকা দিতে পেরেছি।
রোগী : সাওবান (৬)
ঠিকানা : কবিরহাট নোয়াখালী
সে একজন ব্লাড ক্যান্সার পেশেন্ট তার রোগের নাম (ALL B cell) Acute Lymphoblastic Leukemia (B cell lineage)
গত ১১ই ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে বোন মেরু রিপোর্টের মাধ্যমে ব্লাড ক্যান্সার সনাক্ত হয়, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদী সাথে ব্যয়বহুল (ডাক্তারদের কথা প্রথম মাসে এক লক্ষ 50 হাজার পরের মাসগুলোতে লাখ টাকার মতো করে খরচ হবে) এবং বাহ্যিক খরচ চালানোর মতো কোন অবলম্বন না থাকায় তিন মাস চিকিৎসা থেকে বিরত থাকে, এতে অবস্থার কল্পনাতীত বিপর্যয় ও খারাপ হওয়ায় কোন উপায় না দেখে গত 26 শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ এ ঢাকা পিজি হাসপাতালে ভর্তি হয়, এবং একুশে মার্চ ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আনুষাঙ্গিক খরচ সহ দেড় লক্ষ টাকা প্লাস খরচ হয়, রুগির বাবা একজন মাদ্রাসার শিক্ষক, স্বল্প বেতনের চাকরি এবং কোন জায়গা জমি না থাকায় চিকিৎসা খরচ চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

দুঃখিত , মে মাসে রোগীর প্রজেক্টে কোন কাজ করা হয়নি।

পরবর্তী মাসের আপডেট দেখার অনুরোধ রইল।

দুঃখিত , জুন মাসে রোগীর প্রজেক্টে কোন কাজ করা হয়নি।

পরবর্তী মাসের আপডেট দেখার অনুরোধ রইল।

দুঃখিত , জুলাই মাসে রোগীর প্রজেক্টে কোন কাজ করা হয়নি।

পরবর্তী মাসের আপডেট দেখার অনুরোধ রইল।

রোগী - ৬

হাফেজ আব্দুল্লাহ
 
খিলগাঁও মাদরাসায় অধ্যয়নরত ছাত্র
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
প্রথম পর্যায়ে পায়ে শুধু গুলি লাগে।পরবর্তীতে সেই ক্ষতস্থানে পচন ধরে যায়।
আপনাদের প্রিয় সংস্থা ১০ টাকার সেবা এর পক্ষ থেকে আপাতত ৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। যদিও এই সামান্য পরিমান টাকা এমন রোগীর চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়।
তাই আপনাদের আপনাদের সকলের প্রতি অনুরোধ রইল আপনারা তার সহযোগীতায় এগিয়ে আসুন।

রোগী - ৭

২৬৪ টি ছোড়া গু-লি আর ৪ টি বুলেটে বিদ্ধ এই মুফতী সাহেব
৫ই আগস্ট সরকার পদত্যাগের পর তারা আনন্দ মিছিল বের করে আনসার ক্যাম্পের দিকে যাচ্ছিলেন।সেখানে থাকা আনসাররা তাকে ৪ টি গুলি করে। তার শরীর ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়।
মুফতী ফিরোজ আহমাদ
পেশা-শিক্ষকতা
বাড়ি-বরিশাল
আপনাদের প্রিয় সংস্থা ১০ টাকার সেবা এর পক্ষ থেকে আপাতত ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। যদিও এই সামান্য পরিমান টাকা এমন রোগীর চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়।
তাই আপনাদের আপনাদের সকলের প্রতি অনুরোধ রইল আপনারা তার সহযোগীতায় এগিয়ে আসুন।

রোগী - ৮

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে পা হারান এই মাদ্রাসা শিক্ষক
ঘটনার দিন উনি যাত্রাবাড়ীতে ছিলেন। উনার থেকে মাত্র ৩/৪ দূরত্বে থাকা পুলিশ উনাকে লক্ষ করে গুলি করলে উনার হাটুতে এসে গুলি বিদ্ধ হয়।পরবর্তীতে অবস্থা খারাপ হওয়ায় পা কেটে ফেলা হয়।
মোহাম্মদ জুনায়েদ
পেশা-শিক্ষকতা
আপনাদের প্রিয় সংস্থা ১০ টাকার সেবা এর পক্ষ থেকে আপাতত ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। যদিও এই সামান্য পরিমান টাকা এমন রোগীর চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়।
তাই আপনাদের আপনাদের সকলের প্রতি অনুরোধ রইল আপনারা তার সহযোগীতায় এগিয়ে আসুন।

রোগী - ৯

আপনাদের মনে আছে সেই তাবাসসুমের কথা?
আমাদের চিকিৎসা ফান্ডের দ্বিতীয় রুগী ছিল এই সুমাইয়া তাবসসুম। জন্মের সময় মাথায় আঘাত পেয়ে মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কোন অনুভূতি শক্তিই তেমন কাজ করে না। এখনো সেভাবেই আছে।প্রতি মাসেই থেরাপী বাবদ অনেকে টাকা খরচ হচ্ছে।বাবা একজন মসজিদের ইমাম।বাচ্চার খরচ টানতে যথারীতি হিমশিম খাচ্ছি।
এই মাসে আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের প্রিয় ১০ টাকার সেবা সংস্থার পক্ষ থেকে আরও ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে থেরাপি বাবদ।

দুঃখিত , অক্টোবর মাসে রোগীর প্রজেক্টে কোন কাজ করা হয়নি।

পরবর্তী মাসের আপডেট দেখার অনুরোধ রইল।

রোগী - ১০

আমাদের মরহুম আল্লামা জোনায়েদ বাবুনগরীর আদরের খাদেম মাওলানা এনামুল হাসান ফারুকী
আজ প্রায় সাড়ে তিনমাস পিতা-মাতা প্রিয়তমা স্ত্রী ও আদরের শিশুসন্তানকে রেখে চেন্নাইয়ের সিএমসিতে ক্যান্সারের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে।
একজন মাদরাসা শিক্ষক এনাম যা নিয়ে গিয়েছে এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা যৎসামান্য যা পাঠিয়েছে সবই শেষ।
আজ জানতে পারলাম চারটা ইঞ্জেকশন দিতেই খরচ হবে ভারতীয় টাকায় প্রায় ১৫ লক্ষ রুপি।
এরমাঝে কেমু এবং অপারেশনের খরচ তো দূর কি বাত!
ছেলেটি প্রায়শই ফোন দেয় কিন্তু ব্যস্ততা বা অপারগতায় ফোনটাও ঠিকভাবে ধরতে পারি না।
এখন তো মানবিকতা চিন্তা করে হলেও তারপাশে দাঁড়ানো উচিত।
আমাদের পাঠানো ১০/২০ হাজার তার দৈনিক খরচও মিটবে না,প্রয়োজন তো লাখ লাখ। মোট প্যাকেজ ৪০ লাখ।

রোগী - ১১

আলহামদুলিল্লাহ এক অসহায় দরিদ্র মহিলাকে টনসিল অপারেশনের জন্য ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে।
 
উনার স্বামী সন্তান কেউ নেই। অত্যন্ত গরিব। ভাঙ্গা একটি কুড়ে ঘরে থাকেন।অপারেশনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৫ হাজার টাকা। ৫ হাজার টাকা জমিয়েছিলেন।বাকিটা জমাতে পারছিলেন না।পরবর্তীতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা তাকে বাকী ১০ হাজার টাকা দিয়ে সহায়তা করি।
আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সবার দানকে কবুল করুন।আমিন।

রোগী - ১২

আলহামদুলিল্লাহ অপারেশনের এই গুরুতর রোগীকে আপাতত ১৫ দিনের ঔষধ কিনে দেয়া হয়েছে।
তার চিকিৎসায় আপনারা সকলেই এগিয়ে আসুন।
 
নাম: তারিকুল ইসলাম
পিতা: রবিউল ইসলাম
বয়স : ২২
 
-মোটরসাইকেলে বসা ছিলো। ভ্যানের সাথে এক্সিডেন্ট হয়েছে। অটোভ্যানের সামনের অংশ সরাসরি পা বরাবর লেগেছে।
আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সবার দানকে কবুল করুন।আমিন।
Scroll to Top