প্রজেক্ট
অসহায় রোগী
রোগী - ১






রোগী - ২

রোগীর নাম : সুমাইয়া তাবাসসুম,
বয়স: ১৬ মাস।
ইস্টার্ন হাউজিং, মিরপুর-১২
সে তার বাবা-মার একমাত্র সন্তান। নরমাল ডেলিভারিতে তার জন্ম হয়। সে সময় সে ব্রেইনে আঘাত পায়। ফলে জন্মের সময় অক্সিজেন পায়নি, কান্না করেনি ও খিচুনি হয়েছিল। এ আঘাতে তার ব্রেইনের বিভিন্ন জায়গায় ড্যামেজ হয়ে গেছে। সে এখনো বসতে পারে না, ঘাড় নাড়াতে পারে না, শরীরে কোন শক্তি নেই। এখনো নবজাতকের মত বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়। সাধারন শিশুদের মত স্বাভাবিক শারীরিক ও মানষিক বিকাশ থেকে সে অনেক পিছিয়ে পড়েছে। কিন্তু চিকিৎসা চালিয়ে নিতে পারলে এক পর্যায় মোটামুটি স্টেবল হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সে সময় কখন আসে তার কোন নির্দিষ্ট সময় ডাক্তাররা জানান নি। তবে ৩-৪ বছর সময় লাগতে পারে। এ পর্যন্ত নিজের আত্মীয়-স্বজনের ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাহায্য সহযোগিতায় অনেক টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে ঔষধ এবং ফিজিওথেরাপির উপর টিকে আছে। তার চিকিৎসায় মাসে ৬-৭ হাজার টাকা খরচ হয়। তারা বাবা বসুন্ধরা সিটির পাশে একটি অফিসে নামাজ পড়ান। পাশাপাশি একটি মাদ্রাসায় সময় দেন।
রেফারেন্স—-
মোঃ সাইফুল ইসলাম
সিনিয়র প্রধান প্রকৌশলী
Samsung R&D Institute Bangladesh (SRBD)
আলহামদুলিল্লাহ
আমরা এই ছোট্ট সোনামণির জন্য এক মাসের ১২ টি থেরাপি বাবদ মোট ৪,৮০০/- টাকা দিতে পেরেছি।
দুঃখিত , ফেব্রুয়ারী মাসে রোগীর প্রজেক্টে কোন কাজ করা হয়নি।
পরবর্তী মাসের আপডেট দেখার অনুরোধ রইল।
রোগী - ৩




রোগী - ৪




রোগী - ৫








দুঃখিত , মে মাসে রোগীর প্রজেক্টে কোন কাজ করা হয়নি।
পরবর্তী মাসের আপডেট দেখার অনুরোধ রইল।
দুঃখিত , জুন মাসে রোগীর প্রজেক্টে কোন কাজ করা হয়নি।
পরবর্তী মাসের আপডেট দেখার অনুরোধ রইল।
দুঃখিত , জুলাই মাসে রোগীর প্রজেক্টে কোন কাজ করা হয়নি।
পরবর্তী মাসের আপডেট দেখার অনুরোধ রইল।
রোগী - ৬
রোগী - ৭




রোগী - ৮




রোগী - ৯
দুঃখিত , অক্টোবর মাসে রোগীর প্রজেক্টে কোন কাজ করা হয়নি।
পরবর্তী মাসের আপডেট দেখার অনুরোধ রইল।
রোগী - ১০



রোগী - ১১












রোগী - ১২













